facebook icon
ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষা
ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষা: খরচ, যোগ্যতা ও স্কলারশিপ

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষা: খরচ, যোগ্যতা, স্কলারশিপ ও স্টুডেন্ট ভিসা

ইউরোপে উচ্চশিক্ষার কথা ভাবছেন, কিন্তু কোন দেশে পড়বেন তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না? ডেনমার্ক হতে পারে আপনার পছন্দের একটি দেশ। আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণার সুযোগ এবং ইংরেজিতে পড়ানো বিভিন্ন প্রোগ্রামের জন্য দেশটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে পরিচিত। তবে বাংলাদেশ থেকে ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষা নিতে চাইলে কয়েকটি বিষয় আগে পরিষ্কার হওয়া দরকার।

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার গাইড

যেমন, HSC পাস করে সরাসরি ভর্তি হওয়া যাবে কি না, পড়াশোনায় কত টাকা লাগবে, কীভাবে স্কলারশিপ পাওয়া যায় এবং স্টুডেন্ট রেসিডেন্স পারমিটের শর্তগুলো কী। ২০২৭ সালে ডেনমার্কে Bachelor’s বা Master’s করতে আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই গাইডে ভর্তি যোগ্যতা, টিউশন ফি, জীবনযাত্রার খরচ, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কলারশিপ ও ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

ফ্রি কাউন্সেলিং নিন!

ডেনমার্কে পড়াশোনা: একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

২০২৭ সালে ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষা নিতে চাইলে ভর্তি যোগ্যতা, টিউশন ফি, জীবনযাত্রার খরচ ও স্টুডেন্ট ভিসার নিয়ম সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা রাখা জরুরি। বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, IELTS, স্কলারশিপ ও পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ জানা গুরুত্বপূর্ণ। নিচের টেবিলে ডেনমার্কে পড়াশোনার প্রয়োজনীয় তথ্য একনজরে তুলে ধরা হলো।

বিষয় প্রয়োজনীয় তথ্য
দেশ ডেনমার্ক
উচ্চশিক্ষার স্তর Bachelor’s ও Master’s
Bachelor’s কোর্সের মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর
Master’s কোর্সের মেয়াদ সাধারণত ২ বছর
পড়াশোনার ভাষা ডেনিশ ও ইংরেজি
বার্ষিক টিউশন ফি সাধারণত DKK ৪৫,০০০–১,২০,০০০
মাসিক জীবনযাত্রার আনুমানিক খরচ DKK ৮,৪৫০–১৩,৭০০
ইংরেজি ভাষার যোগ্যতা সাধারণত IELTS ৬.৫ বা সমমান; কিছু কোর্সে বেশি
প্রধান ইনটেক সেপ্টেম্বর; কিছু প্রোগ্রামে ফেব্রুয়ারি
শিক্ষার্থীদের কাজের অনুমতি সেপ্টেম্বর–মে মাসে ৯০ ঘণ্টা/মাস; জুন–আগস্টে পূর্ণকালীন
পড়াশোনা শেষে চাকরি খোঁজার সুযোগ সংশ্লিষ্ট নতুন Bachelor’s ও Master’s শিক্ষার্থীদের জন্য সাধারণত সর্বোচ্চ ১ বছর
রেসিডেন্স পারমিট কর্তৃপক্ষ SIRI, Denmark

তথ্যসূত্র: Study in Denmark ও SIRI। খরচের পরিমাণ এবং কিছু নিয়ম ২০২৬ সালের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী। ২০২৭ সালের আবেদন করার আগে নতুন হার ও শর্ত যাচাই করতে হবে।

উচ্চশিক্ষার জন্য কেন ডেনমার্ক বেছে নেবেন?

ডেনমার্কের শিক্ষা ব্যবস্থা শুধু পাঠ্যবই বা পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে না। এখানে অনেক কোর্সে শিক্ষার্থীদের দলগত কাজ, গবেষণা, প্রজেক্ট এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করতে হয়। দেশটিতে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার কয়েকটি কারণ হলো:

  • আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়: গবেষণা, প্রকৌশল, ব্যবসা ও বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
  • ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা: অনেক Master’s এবং নির্বাচিত Bachelor’s প্রোগ্রাম ইংরেজিতে পড়ানো হয়।
  • গবেষণা ও ব্যবহারিক শিক্ষা: বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গে কাজ করে।
  • স্কলারশিপের সুযোগ: যোগ্য শিক্ষার্থীরা টিউশন ফি ছাড় বা নির্দিষ্ট আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।
  • পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ: অনুমোদিত প্রোগ্রামে নির্দিষ্ট সময় কাজের সুযোগ রয়েছে।

টিপস: ডেনমার্কে থাকা-খাওয়ার খরচ তুলনামূলক বেশি। তাই শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের মান দেখে নয়, নিজের বাজেট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি যোগ্যতা নির্ভর করে শিক্ষার স্তর, আগের একাডেমিক ফলাফল এবং নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর। সব বিশ্ববিদ্যালয় একই যোগ্যতা চায় না।

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার যোগ্যতা

স্নাতকের (Bachelor's Degree) জন্য যোগ্যতা

বাংলাদেশ থেকে এইচএসসি(HSC) পাস করে ব্যাচেলর(Bachelor’s) পর্যায়ে আবেদন করা সম্ভব হতে পারে। তবে শুধু এইচএসসি(HSC) সার্টিফিকেট সব ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। উদাহরণ হিসেবে, Copenhagen Business School-এর বাংলাদেশি আবেদনকারীদের নিয়ম অনুযায়ী এইচএসসি(HSC)-এর পাশাপাশি ৬০ ECTS সমমানের আরও এক বছরের উচ্চশিক্ষা প্রয়োজন। এ ছাড়া বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা এবং ইংরেজি ভাষার শর্তও পূরণ করতে হয়।

আবার University of Copenhagen-এর সব ব্যাচেলর(Bachelor’s) প্রোগ্রাম ডেনিশ ভাষায় পড়ানো হয়। তাই ইংরেজিতে Bachelor’s করতে চাইলে শুরুতেই সংশ্লিষ্ট কোর্সের ভাষা যাচাই করতে হবে।

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি (HSC) পাস বা সমমানের মাধ্যমিক ডিপ্লোমাধারী হতে হবে, যা ডেনিশ উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেটের সমতুল্য হতে হবে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১ বা ২ বছরের উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।
  • ভাষাগত দক্ষতা: ইংরেজি মাধ্যমের প্রোগ্রামের জন্য সাধারণত IELTS স্কোর কমপক্ষে ৬.৫ (প্রতি ব্যান্ডে সর্বনিম্ন ৬.০) অথবা TOEFL স্কোর থাকতে হয়।
  • গ্রেড রূপান্তর: ডেনিশ এজেন্সি ফর সায়েন্স অ্যান্ড হায়ার এডুকেশন আপনার আন্তর্জাতিক গ্রেড ডেনিশ গ্রেডিং স্কেলে রূপান্তর করে মূল্যায়ন করে।

ডেনমার্কে স্নাতকোত্তর (Master's Degree) ও পিএইচডির জন্য যোগ্যতা

মাস্টার্স(Master’s) করতে সাধারণত একটি স্বীকৃত ও প্রাসঙ্গিক Bachelor’s ডিগ্রি প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে ডেনিশ ১৮০ ECTS-এর সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়। বাংলাদেশের চার বছর মেয়াদি Bachelor’s ডিগ্রিধারীরা বিভিন্ন Master’s প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারেন।

তবে আগের ডিগ্রির বিষয়, পড়ানো কোর্স, ক্রেডিট এবং ফলাফল মূল্যায়ন করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সিদ্ধান্ত নেয়। কিছু প্রোগ্রামে অতিরিক্তভাবে CV, Motivation Letter, Portfolio বা নির্দিষ্ট বিষয়ের পূর্বশিক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম ৪ বছরের একটি স্নাতক ডিগ্রি (Bachelor's Degree) এবং ভালো একাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে।
  • ভাষাগত দক্ষতা: ইংরেজিতে পাঠদানের কোর্সের জন্য সাধারণত IELTS এ সর্বনিম্ন ৬.৫ থেকে ৭.০ বা সমমানের টোফেল (TOEFL) স্কোর প্রয়োজন হয়।

অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলি

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার আবেদনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি কিছু অতিরিক্ত শর্ত পূরণ করতে হয়।

  • স্টুডেন্ট রেসিডেন্স পারমিট (স্টুডেন্ট ভিসা): ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা নর্ডিক দেশের বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য ডেনমার্কে পড়াশোনা করতে স্টুডেন্ট ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট লাগবে। এর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাক্সেপ্টেন্স লেটার বা ভর্তির অফার লেটার দরকার হয়।
  • আর্থিক সচ্ছলতা (Proof of Financial Resources): নিজের খরচ চালানোর মতো যথেষ্ট আর্থিক সামর্থ্য বা ব্যাংক সলভেন্সি দেখাতে হয় (প্রতি মাসে প্রায় ১,০০০ ইউরো সমপরিমাণ)।
  • স্বাস্থ্য বিমা: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য বিমা বা ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতামূলক।
  • আবাসন প্রমাণ: ভিসা অনুমোদনের পূর্বে ডেনমার্কে থাকার বা আবাসন ব্যবস্থার প্রমাণ দেখাতে হয়।

ডেনমার্কের শীর্ষস্থানীয় ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়

ডেনমার্কে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করার সময় শুধু আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিং দেখলেই হবে না। আপনার পছন্দের বিষয়টি ইংরেজিতে পড়ানো হয় কি না, টিউশন ফি কত এবং ভর্তি যোগ্যতা কী—এসবও দেখতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিত শিক্ষাক্ষেত্র
University of Copenhagen বিজ্ঞান, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান
Aarhus University ব্যবসা, প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও মানবিক বিষয়
Technical University of Denmark (DTU) প্রকৌশল ও প্রযুক্তি
University of Southern Denmark (SDU) প্রকৌশল, ব্যবসা ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান
Aalborg University প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও প্রজেক্টভিত্তিক শিক্ষা
Copenhagen Business School (CBS) ব্যবসা, ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতি
Roskilde University সামাজিক বিজ্ঞান ও আন্তবিষয়ক শিক্ষা

এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিষয়ে ইংরেজি প্রোগ্রাম পাওয়া যাবে, এমন নয়। আবেদন করার আগে Study in Denmark Programme Search থেকে কোর্স খুঁজে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে তথ্য মিলিয়ে দেখুন।

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার খরচ কত?

ডেনমার্কে পড়াশোনার খরচ মূলত দুটি ভাগে হিসাব করতে হবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি। অন্যটি থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ও ব্যক্তিগত খরচ। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সাধারণত non-EU/EEA শিক্ষার্থী হিসেবে টিউশন ফি প্রদান করেন।

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার মোট খরচ

ডেনমার্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি

সরকারি Study in Denmark পোর্টাল অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক পূর্ণকালীন ডিগ্রি শিক্ষার্থীদের সাধারণ বার্ষিক টিউশন ফি প্রায় DKK ৪৫,০০০ থেকে ১,২০,০০০। বিশেষায়িত কিছু কোর্সে এর চেয়ে বেশি ফি হতে পারে।

বার্ষিক টিউশন ফি বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক
DKK ৪৫,০০০ ৮.৩১ লাখ টাকা
DKK ৬০,০০০ ১১.০৮ লাখ টাকা
DKK ৮০,০০০ ১৪.৭৭ লাখ টাকা
DKK ১,০০,০০০ ১৮.৪৬ লাখ টাকা
DKK ১,২০,০০০ ২২.১৫ লাখ টাকা

নোট: টাকার হিসাব অক্টোবর ২০২৬-এর আনুমানিক বিনিময় হার ১ DKK = ১৮.৪৬ টাকা অনুযায়ী। এটি ২০২৭ সালের নির্ধারিত ফি বা ভবিষ্যৎ বিনিময় হার নয়। সঠিক টিউশন ফি জানতে নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৭ সালের কোর্স পেজ দেখতে হবে।

ডেনমার্কে থাকা-খাওয়ার মাসিক খরচ

ডেনমার্কে বাসাভাড়া শিক্ষার্থীদের বড় একটি খরচ। শহর, বাসার অবস্থান এবং অন্য শিক্ষার্থীর সঙ্গে শেয়ার করে থাকার ওপর খরচ বদলে যায়। সরকারি Study in Denmark-এর বাজেট নির্দেশিকা ধরে একটি আনুমানিক হিসাব নিচে দেওয়া হলো।

খরচের ধরন মাসিক খরচ (DKK)
বাসাভাড়া ৩,০০০–৬,৫০০
খাবার ২,০০০–৩,৫০০
বই ও শিক্ষা উপকরণ ৪০০–৬৫০
যাতায়াত প্রায় ৩০০
বিমা, ফোন ও অন্যান্য ব্যক্তিগত খরচ প্রায় ২,৭৫০
মোট= ৮,৪৫০–১৩,৭০০

বাংলাদেশি টাকায় মাসে প্রায় ১.৫৬–২.৫৩ লাখ টাকা লাগতে পারে। এটি বাজেট পরিকল্পনার একটি ধারণা, নির্দিষ্ট খরচ নয়।

ডেনমার্কে পড়াশোনার প্রথম বছরের মোট বাজেট

ধরা যাক, একজন শিক্ষার্থীর বার্ষিক টিউশন ফি DKK ৭০,০০০ এবং মাসিক থাকা-খাওয়ার খরচ DKK ১০,০০০। সেক্ষেত্রে এক বছরের হিসাব হবে:

  • টিউশন ফি: DKK ৭০,০০০
  • ১২ মাসের জীবনযাত্রার খরচ: DKK ১,২০,০০০
  • মোট: DKK ১,৯০,০০০ বা প্রায় ৩৫.০৭ লাখ টাকা

এর বাইরে বিমানভাড়া, আবেদনের ফি, বাসার ডিপোজিট এবং প্রাথমিক প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য আলাদা অর্থ রাখতে হবে।

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার জন্য কয়েক ধরনের স্কলারশিপ রয়েছে। তবে সব শিক্ষার্থী পূর্ণ স্কলারশিপ পাবেন, এমন নয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একাডেমিক ফলাফল, কোর্স ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত শর্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Danish Government Scholarships

ডেনমার্কের সরকারি অর্থায়নে নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যোগ্য non-EU শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দেয়। এতে সম্পূর্ণ বা আংশিক টিউশন ফি ছাড় এবং কিছু ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার খরচের জন্য অনুদান থাকতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় নিজেই আবেদনকারীদের মূল্যায়ন করে। যেমন Aarhus University-এর নির্দিষ্ট Master’s প্রোগ্রামে সময়মতো ভর্তি আবেদন করলেই যোগ্য আবেদনকারীদের স্কলারশিপের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হয়।

Erasmus Mundus Joint Masters Scholarships

Master’s করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য Erasmus Mundus একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এ ধরনের প্রোগ্রামে একাধিক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ব্যবস্থা থাকে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পূর্ণ স্কলারশিপ পেতে পারেন, যেখানে কোর্সে অংশগ্রহণ, ভ্রমণ এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সহায়তা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

তবে সব Erasmus Mundus প্রোগ্রামে ডেনমার্কের বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয় না। তাই প্রোগ্রামভিত্তিক অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা যাচাই করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক স্কলারশিপ

কিছু বিশ্ববিদ্যালয় তাদের নির্দিষ্ট প্রোগ্রামে টিউশন ফি ছাড় বা অন্যান্য অর্থায়নের সুযোগ দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়-নির্দিষ্ট বৃত্তি (কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়, আরহাস বিশ্ববিদ্যালয়, টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অফ ডেনমার্ক)। স্কলারশিপ খুঁজতে হলে প্রথমে যোগ্যতা অনুযায়ী কয়েকটি কোর্স নির্বাচন করুন। এরপর প্রতিটি কোর্সের Scholarship, Funding এবং Tuition Fees বিভাগ পড়ুন। আবেদনপত্রের সঙ্গে আলাদা স্কলারশিপ আবেদন প্রয়োজন কি না, সেটিও যাচাই করুন।

বাংলাদেশ থেকে ডেনমার্কের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার নিয়ম

২০২৭ সালে ডেনমার্কে ভর্তি হতে চাইলে বেশ আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করা ভালো। বিশেষ করে Master’s-এর অনেক আবেদন শেষ হয় বছরের প্রথম দিকে।

ধাপ ১: কোর্স ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করুন

নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পছন্দের বিষয়, বাজেট এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিন।

ধাপ ২: ভর্তি যোগ্যতা যাচাই করুন

আগের ডিগ্রি, বিষয়ভিত্তিক শর্ত, English proficiency এবং প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত যোগ্যতা মিলিয়ে দেখুন।

ধাপ ৩: আবেদনপত্র ও কাগজপত্র তৈরি করুন

সাধারণত শিক্ষাগত সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট, পাসপোর্ট এবং ভাষাগত যোগ্যতার প্রমাণ প্রয়োজন হয়। Master’s-এ CV বা Motivation Letter-ও লাগতে পারে।

ধাপ ৪: নির্ধারিত পোর্টালে আবেদন করুন

অনেক Bachelor’s প্রোগ্রামের আবেদন Optagelse.dk দিয়ে করা হয়। Master’s-এর জন্য সাধারণত সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন পোর্টাল ব্যবহার করতে হয়।

ধাপ ৫: ভর্তির সিদ্ধান্ত ও স্কলারশিপের ফলাফল দেখুন

বিশ্ববিদ্যালয় অতিরিক্ত কাগজপত্র চাইলে সময়মতো জমা দিন। Admission Offer পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।

ধাপ ৬: টিউশন ফি ও রেসিডেন্স পারমিটের প্রস্তুতি নিন

প্রয়োজনীয় টিউশন ফি পরিশোধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী SIRI-এর রেসিডেন্স পারমিট প্রক্রিয়া শুরু করুন।

ডেনমার্কে ২০২৭ সালের ভর্তির আবেদনের সময়

সাধারণ ভর্তি সময়সূচি অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো হলো:

ডেনমার্কে ভর্তির আবেদনের সময়
প্রোগ্রাম আবেদনের সময়
September 2027 Bachelor’s আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সাধারণত ১৫ মার্চ ২০২৭
September 2027 Master’s অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৭ সালের জানুয়ারি
February Intake নির্বাচিত প্রোগ্রামে আলাদা সময়সূচি

নির্বাচিত প্রোগ্রামে আলাদা সময়সূচি। উদাহরণ হিসেবে University of Copenhagen-এর সেপ্টেম্বর Master’s ইনটেকের জন্য non-EU আবেদনকারীদের সাধারণ শেষ সময় ১৫ জানুয়ারি।

ডেনমার্ক স্টুডেন্ট ভিসা ও রেসিডেন্স পারমিটের নিয়ম

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদি ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য সাধারণত Denmark Student Residence Permit প্রয়োজন। অনেকে এটিকে স্টুডেন্ট ভিসা বলেন। কিন্তু এটি সাধারণ স্বল্পমেয়াদি Schengen Visa থেকে আলাদা। ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার রেসিডেন্স পারমিট আবেদন যাচাই করে Danish Agency for International Recruitment and Integration (SIRI)।

স্টুডেন্ট রেসিডেন্স পারমিটের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী কাগজপত্রের তালিকা বদলাতে পারে। সাধারণত প্রয়োজন হয়:

  • বৈধ পাসপোর্টের প্রয়োজনীয় সব পাতার কপি
  • বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বা এনরোলমেন্টের প্রমাণ
  • নির্ধারিত আবেদন ফি পরিশোধের রসিদ
  • আর্থিক সামর্থ্যের প্রয়োজনীয় প্রমাণ, যেখানে প্রযোজ্য
  • বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীর পূরণ করা ST1 আবেদন
  • প্রয়োজনীয় ঘোষণা ও অন্যান্য সহায়ক কাগজপত্র
  • বায়োমেট্রিক তথ্য

অনলাইনে আবেদন করার পর সাধারণত ১৪ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক দিতে হয়। বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীরা নির্ধারিত VFS Global সেন্টারে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।

ডেনমার্ক স্টুডেন্ট ভিসার ব্যাংক ব্যালেন্স কত লাগে?

SIRI-এর ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী, আর্থিক সামর্থ্য প্রমাণের জন্য মাসে DKK ৭,৪২৬ হিসাব করা হয়। এক বছরের বেশি মেয়াদের পড়াশোনায় সর্বোচ্চ ১২ মাসের হিসাবে DKK ৮৯,১১২ দেখাতে হতে পারে। বাংলাদেশি টাকায় এটি আনুমানিক ১৬.৪৫ লাখ টাকা।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে। টিউশন ফি প্রযোজ্য এমন প্রোগ্রামের প্রথম সেমিস্টারের ফি ইতিমধ্যে পরিশোধ করা থাকলে SIRI সাধারণত সেটিকে আর্থিক সামর্থ্যের যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে। সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

নোট: যেখানে ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রয়োজন, সেটি শিক্ষার্থীর নিজের নামে হতে হবে। শুধু অভিভাবকের নামে থাকা ব্যাংক স্টেটমেন্ট গ্রহণযোগ্য নয়।

ডেনমার্কে স্টুডেন্ট রেসিডেন্স পারমিটের খরচ ও সময়

SIRI-এর প্রকাশিত ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার রেসিডেন্স পারমিট আবেদনের ফি DKK ৩,০৬০। সাধারণ আবেদন নিষ্পত্তির সময় প্রায় দুই মাস। অতিরিক্ত তথ্য প্রয়োজন হলে তিন মাস পর্যন্ত লাগতে পারে। এর বাইরে দূতাবাস ও VFS-এর পৃথক ফি প্রযোজ্য হতে পারে।

২০২৭ সালে আবেদন করার সময় SIRI-এর সরকারি ওয়েবসাইট থেকে নতুন ফি ও শর্ত যাচাই করুন।

ডেনমার্কে পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম কাজ

ডেনমার্কে state-approved উচ্চশিক্ষা প্রোগ্রামে ভর্তি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট শর্তে কাজ করতে পারেন। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সেপ্টেম্বর থেকে মে পর্যন্ত প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৯০ ঘণ্টা কাজের অনুমতি রয়েছে। জুন, জুলাই ও আগস্টে পূর্ণকালীন কাজ করা যায়।

রেস্তোরাঁ, দোকান, বিভিন্ন সেবাপ্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক কাজের সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। তবে কাজ পাওয়া নিশ্চিত নয়। ডেনিশ ভাষা জানা থাকলে কিছু চাকরিতে সুবিধা হতে পারে।

মনে রাখবেন, non-state-approved প্রোগ্রামের নতুন শিক্ষার্থীদের কাজের নিয়ম আলাদা এবং ২ মে ২০২৫ থেকে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের জন্য কাজের অনুমতিতে বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই পার্টটাইম চাকরির সম্ভাব্য আয়কে সম্পূর্ণ টিউশন ফি ও থাকা-খাওয়ার খরচের নিশ্চয়তা হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

ডেনমার্কে পড়াশোনা শেষে চাকরি ও থাকার সুযোগ

ডেনমার্কে ডিগ্রি শেষ করার পর নির্দিষ্ট শর্তে চাকরি খোঁজার জন্য থাকার সুযোগ রয়েছে। তবে ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে নিয়মে পরিবর্তন এসেছে। ওই তারিখ বা তার পরে রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করা সংশ্লিষ্ট state-approved Bachelor’s ও Master’s শিক্ষার্থীরা সাধারণত ডিগ্রি শেষে সর্বোচ্চ এক বছরের job-seeking period পেতে পারেন।

আগের তিন বছরের নিয়ম নতুন আবেদনকারীদের জন্য সাধারণভাবে প্রযোজ্য নয়। এই সময়ের মধ্যে চাকরি পেলে যোগ্যতা ও নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী উপযুক্ত work and residence permit-এর জন্য আবেদন করতে হয়।

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় সানজেন এডুকেশন লিমিটেড

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পড়তে যাওয়ার আগে নিজের একাডেমিক প্রোফাইল, পছন্দের বিষয় এবং বাজেট যাচাই করা জরুরি। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা বাস্তবসম্মত হবে, সেটিও শুরুতেই বুঝতে হবে। সানজেন এডুকেশন লিমিটেড শিক্ষার্থীদের বিষয়ে পরামর্শ দেয়:

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষায় স্টুডেন্ট ভিসা সহায়তা

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা থাকলে আপনার যোগ্যতা ও বাজেট অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ বুঝতে Sangen Edu Ltd-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

সর্বশেষ আপডেট: অক্টোবর ২০২৬। ২০২৭ সালের জন্য আবেদন করার আগে নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়, Study in Denmark এবং SIRI-এর সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করুন।

উচ্চশিক্ষার পরামর্শ নিন: ০১৬১৫০০০১২৫

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষা নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

ডেনমার্কে পড়তে যাওয়ার আগে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা খরচ, IELTS, স্কলারশিপ এবং কাজের সুযোগ নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। নিচে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো।

পরিবারসহ বিদেশে পড়তে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ডেনমার্কের নতুন নিয়ম আগে জেনে নেওয়া জরুরি। ১ অক্টোবর ২০২৬ বা তার পরে সংশ্লিষ্ট Bachelor’s ও Master’s প্রোগ্রামে রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করা শিক্ষার্থীদের স্বামী-স্ত্রী এবং ১৮ বছরের কম বয়সী সন্তানরা সাধারণ accompanying-family student route-এ রেসিডেন্স পারমিট পাওয়ার যোগ্য নন। নির্দিষ্ট আইনি ব্যতিক্রম থাকতে পারে। তাই পরিবারসহ যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আবেদন করার আগেই SIRI-এর সর্বশেষ নিয়ম যাচাই করা উচিত।

ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার ভালো সুযোগ রয়েছে, বিশেষ করে যাঁরা গবেষণা, প্রযুক্তি, ব্যবসা বা প্রজেক্টভিত্তিক শিক্ষা নিতে চান। তবে সবার জন্য এই দেশ সমানভাবে উপযুক্ত নয়। আপনার পর্যাপ্ত বাজেট আছে কি না, পছন্দের কোর্স ইংরেজিতে পাওয়া যাচ্ছে কি না, ভর্তি যোগ্যতা পূরণ করছেন কি না এবং পড়াশোনার পর কী করতে চান—এসব বিবেচনা করা দরকার।

এ ছাড়া স্কলারশিপের ওপর পুরো পরিকল্পনা নির্ভর না করে সম্ভাব্য মোট খরচের একটি বাস্তবসম্মত হিসাব রাখা ভালো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি সাধারণত বছরে DKK ৪৫,০০০–১,২০,০০০। এর সঙ্গে মাসিক থাকা-খাওয়ার খরচ, আবেদন ফি, বিমানভাড়া ও অন্যান্য ব্যয় যোগ হবে। সম্পূর্ণ বাজেট নির্বাচিত কোর্স ও শহরের ওপর নির্ভর করে।

কিছু বিশ্ববিদ্যালয় IELTS-এর পরিবর্তে TOEFL বা অন্য স্বীকৃত ইংরেজি ভাষার যোগ্যতা গ্রহণ করে। তবে IELTS ছাড়া আবেদন করা যাবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের শর্ত দেখে নিশ্চিত হতে হবে।

সম্ভব হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে HSC-এর পাশাপাশি অতিরিক্ত উচ্চশিক্ষার যোগ্যতা প্রয়োজন হয়। যেমন Copenhagen Business School বাংলাদেশি HSC শিক্ষার্থীদের জন্য ৬০ ECTS সমমানের অতিরিক্ত এক বছরের উচ্চশিক্ষা চায়।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাধারণত টিউশন ফি দিতে হয়। তবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ টিউশন ফি ছাড় বা পূর্ণ স্কলারশিপ পেতে পারেন। স্কলারশিপের যোগ্যতা ও সুযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে আলাদা।

সাধারণত দুই বছর। তবে প্রোগ্রামের ধরন অনুযায়ী মেয়াদ ভিন্ন হতে পারে। আবেদন করার আগে কোর্সের নির্ধারিত সময় ও ক্রেডিট যাচাই করতে হবে।

SIRI-এর বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার রেসিডেন্স পারমিটের সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ সময় প্রায় দুই মাস। অতিরিক্ত তথ্য বা নথি প্রয়োজন হলে তিন মাস পর্যন্ত লাগতে পারে।

অনুমোদিত উচ্চশিক্ষা প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা সেপ্টেম্বর থেকে মে পর্যন্ত মাসে ৯০ ঘণ্টা এবং জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত পূর্ণকালীন কাজ করতে পারেন। নির্দিষ্ট পারমিটের শর্ত মেনে চলতে হবে।

১ অক্টোবর ২০২৬ বা তার পরে আবেদন করা সংশ্লিষ্ট Bachelor’s ও Master’s শিক্ষার্থীরা সাধারণত ডিগ্রি শেষ করার পর সর্বোচ্চ এক বছর চাকরি খোঁজার সুযোগ পান। এই সময় চাকরি পাওয়া বা স্থায়ীভাবে থাকার নিশ্চয়তা দেয় না।